যাকাত কাদের ওপর ফরজ?

১. মুসলিম হওয়া।
২. স্বাধীন বা মুক্ত মানুষ হওয়া।
৩. নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়া (৫২.৫ তোলা রূপা বা ৭.৫ তোলা স্বর্ণের সমমূল্য)।
৪. সম্পদের ওপর পূর্ণ মালিকানা থাকা।
৫. ঋণমুক্ত হওয়ার পর নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকা।
৬. সম্পদ এক বছর অতিবাহিত হওয়া।

যাকাত কাদের দেওয়া যাবে না?

১. নিজের পিতা-মাতা, দাদা-দাদী, নানা-নানী বা ঊর্ধ্বতন কাউকে।
২. নিজ সন্তান-সন্ততি বা নাতি-নাতনী বা তাদের অধস্তন কাউকে।
৩. ধনী বা নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক ব্যক্তিকে।
৪. অমুসলিম ব্যক্তিকে যাকাত দেওয়া বৈধ নয়।
৫. স্বামী স্ত্রীকে অথবা স্ত্রী স্বামীকে যাকাত দিতে পারবে না।

যাকাত নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাদীসসমূহ
"রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: যখন তুমি তোমার সম্পদের যাকাত আদায় করলে, তখন তুমি তোমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করলে।" - (তিরমিজি)
"যাকাত হলো ইসলামের সেতুবন্ধন।" - (বায়হাকী)
"দান-সদকাহ বা যাকাত সম্পদকে কমিয়ে দেয় না, বরং আল্লাহ তা সম্পদে বরকত দান করেন।" - (সহীহ মুসলিম)
"যে জাতির মানুষ যাকাত প্রদান বন্ধ করে দেয়, আল্লাহ তাদের আসমানী বৃষ্টি থেকে বঞ্চিত করেন।" - (ইবনে মাজাহ)